দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে সব ধরনের ডালের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। গত দুই-আড়াই মাসের ব্যবধানে খাদ্যশস্যটির দাম কমেছে কেজিতে ৩-২০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিম্নমুখী চাহিদা পণ্যটির দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। গতকাল নিতাইগঞ্জে সরজমিনে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে বর্তমানে দেশী মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১১২-১১৪ টাকা কেজি দরে। তিন মাস আগেও যা ছিল কেজিতে ১১৬-১১৮ টাকা। সে হিসাবে দেশী মসুর ডালের দাম কমেছে কেজিতে প্রায় ৪ টাকা। বর্তমানে দিল্লি সুপার (৩০ কেজির বস্তা) বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১১৮ টাকা কেজি দরে। গত দুই মাস আগে একই ডালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১২২ টাকা। ফাটি মসুর ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৯৩ টাকা কেজি দরে। একই ডাল দুই মাস আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১০৬ টাকায়। নিতাইগঞ্জে অ্যাঙ্কর ডালের দাম কমেছে কেজিতে প্রায় ৫ টাকা। বর্তমানে তা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৫১ টাকা কেজি দরে।
বাজারে মুগ ডাল ও খেসারি ডালের দাম কমেছে যথাক্রমে ৩২ ও ৮৪ টাকা। বর্তমানে এসব বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে কেজিপ্রতি ১৩২ ও ৭২ টাকায়।
নারায়ণগঞ্জে ডাল ব্যবসায়ী বিপ্লব সাহা জানান, ‘রোজার ঈদের পর থেকে ডালের বাজার নিম্নমুখী হয়েছে। এর পরও বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম।’